জেনে নিন ১০ টি SEO কৌশল




১) Unique Content তৈরি করতে হবে যা view & link অর্জন করবেঃ
Search Engine এলগরিদমের সাথে সব কিছু পরিবর্তনের পরও সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সব চেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে ইনবাউন্ড SEO লিঙ্কে। অপরদিকে লিঙ্ক অর্জনের অন্য পদ্ধতিগুলো পরিবর্তিত হয়েছে।
কোন উঁচু মানের প্রাসঙ্গিক ওয়েব সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়া শুধু আপনার SEO এর সাহায্যে সম্ভব হবেনা। এর সাথে দরকার হবে রেফারেল ট্রাফিক, যা আরো বেশি বিক্রি ও ব্র্যান্ড এর পরিচিতি বাড়াবে।অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি যা মানুষ শেয়ার করতে চাইবে তা এখনও Link আয়ের প্রধান উপায় আছে।


২) Co-Citation লিঙ্কঃ

প্রতিবার সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েবসাইট কে আপনার প্রতদ্ধন্ধির পরেই পায়। এটা তাদের বলে যে আপয়ান্র কোম্পানি একই কুলঙ্গি বা বিষয়ের উপর। Co-Citation লিঙ্ক পেতে হলে “best” অথবা “top 10” দিয়ে আপনার সাইটের বিষয়ের উপর সার্চ করুন।যেমনঃ টপ টেন ব্লু উইজেড আপনি যদি এই সার্চ করেন আর রিজাল্টে আপনার ব্যবসা না পান তাহলে পাবলিশারের সাথে যোগাযোগ করুন, এবং লিস্টে আপনার কোনপানি কে যোগ করার জন্য বলুন, কেন এবং কোথায় আপনার কোম্পানি এখানে যোগ হবে তার জন্য তৈরি হোন। কোন লিঙ্কের সাথে যেতে হলে তাদেরকে সারমর্ম দিন।

৩) Editorial Link:

Editorial Link গুলো আপনার SEO এর জন্য অনেক শক্তিশালি হয়ে আসে কারণ এগুলো অন্য পাবলিকেশন থেকে আপনার কোম্পানি উল্লেখ করে আপনার সাইটের বিষয়ের ভিত্তিতে আসে। তারা আবার লীডারশিপ Guest-Post থেকেও আসতে পারে, যা আপনি লিখে কোন তৃতীয় পক্ষের সাইটে পাবলিশ করেন।এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো এমন সব উন্নতমানের কন্টেন্ট তৈরি করা যা অন্যরা তাদের পাঠকের সাথে শেয়ার করবে। অন্য উপায় হলো উচুমানের আকারে গেস্ট পোস্ট করা আপনার সাইটের বিষয়ের উপর। অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে প্রস্তুত হোন যা কঠিণভাবে পাবলিশের পূর্বে ভোট পরীক্ষিত হবে।ইন্টারভিউ হলো এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার আরেকটি পদ্ধতি।

৪) Broken Link Building method :


এখানে আরেকটি হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডীং পদ্ধতি যা অনেক কার্যকরি হয়। এখানে আপনি আসলে পাবলিশারকে সাহায্য করছেন ব্রোকেন লিঙ্ক তৈরি করাতে, যা তাদের পাঠকের জন্য সাহায্যকারী হবে। এখানে তখনই কাজ হবে যখন আপনার কন্টেন্ট হারিয়ে যাওয়া কন্টেন্ট থেকেও অনেক শক্তিশালি হবে।এই কাজের জন্য কোন সাইটের এমন ব্রোকেন লিঙ্ক খুজে বের করতে হবে যা আপনার সাইটের বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরপর আপনি ব্রোকেন লিঙ্ক নিয়ে ওয়েবমাস্টারের সাথে যোগাযোগ করে সুপারিশ করবেন যে আপনার সাইট বিকল্প এই ব্রোকেন লিঙ্ক এর। আরো জানতে মজ ব্লগ থেকে broken link-building Bible পড়ুন।

৫) Link Reclamation:

এটি আপনাকে Broken-link খুজে বের করে Fresh-Link পেতে সাহায্য করবে এবং পাবলিশারকে দিয়ে এগুলো সমাধান করাবে।
উদাহরণঃ আপনার সাইট সম্পর্কে উল্লেখ করা ব্র্যান্ড খুজে বের করুন, এবং পাবলিশারকে লিঙ্ক যোগ করতে বলুন।এমন জায়গা খুজে বের করুন যেখানে আপনার কন্টেন্ট এট্রিবিউশন ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে, এবং সেই ব্যাক্তির নিকট লিঙ্ক রিকুয়েস্ট করুন।একে স্বয়ংক্রিয় করতে আপনি Google Alert চালু করতে পারেন, যখনই আপনার কোম্পানি নাম উল্লেখ করবে তা ইমেইল করে জানানোর জন্য। এর পর আপনি চেক করে দেখতে পারেন তারা আপনার সাইটের সাথে লিঙ্ক দিয়েছে কি না।

৬) Link Outreach :

এটি অনেকটা “old school” এর মত কিন্তু এখনো অনেক শক্তিশালি। এটি করতে এমন ওয়েবসাইট বের করুন যা আপনার ওয়েবসাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক, এবং তাদের সাইট থেকে তাদের যোগাযোগ এর তথ্য সংগ্রহ করুন। তাদেরকে কল করুন বা ইমেইল করে ভদ্রভাবে লিঙ্ক এর জন্য বলুন। এটা ভালো কাজ করে যদি তাদের ব্যবসা আপনার ব্যবসা থেকে কিছুটা আলাদা হয় কিন্তু একই পাঠক শেয়ার করা যায়।

৭) Contest Analysis :

এটা নতুন কিছু নয়। কোম্পানিরা তাদের প্রতিদ্বন্ধির ওয়েবসাইট অনেক বছর থেকে গবেষণা করে আসছে। অধিকন্তু প্রতিদ্বন্ধির সাইটের ব্যাকলিঙ্ক এবং ম্যানুয়ালি রিভিউ করা যেসব লিঙ্ক রাখা অনেক মূল্যবান। এরপর আপনি লিঙ্ক আউটরিচ করতে পারেন একই সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

৮)Keyword Ranking এবং ROI :


Keyword Ranking এর পরিবর্তে ROI এ মনযোগ দেয়া যদিও আমরা সবাই সার্চ রিজাল্ট রেঙ্কিং এ কী-ওয়ার্ড এর ফল উপভোগ করি এর দ্বারা এটা প্রমাণ হয়না যে আপনার SEO সফল হয়ে গেছে। অনেক কী-ওয়ার্ডের জন্য এটা সম্ভব কোন ROI না থাকা সত্ত্বেও নাম্বার এক এ যাওয়া। আপনাকে সেই মেট্রিক্স এ মনযোগ দিতে হবে যা কনভার্সেষন আনে।

৯) Mobile friendly Seo :


মোবাইল SEO মোবাইল প্রতি বছর আরো বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, ২০১৬ বা এর পরে অবশ্যই প্রতিটি ওয়েবসাইটের মোবাইলের জন্য আলাদা কৌশল থাকতে হবে।মোবাইল হতে হবে ২০১৬ এর SEO পরিকল্পনার এর সিংহঅংশ। তবে আপনাকে সতর্ক হতে হবে যেহেতু কনফিগারেশন এরর এর জন্য ৬৮ ভাগ ট্রাফিক লস হয়।

১০) Search Engine :


Yahoo, Bing ও অন্যান্যের জন্য অপটিমাইজ করা Yahoo, Bing, এবং DuckDuckGo এর মত সার্চ ইঞ্জিনরা কম কম করে গুগলের অনেক বড় টুকরো ২০১৬ তে নিয়ে নিতে পারে। Yahoo হলো ফায়ারফক্সের ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন, Safari গুগলের সাথে ডিল করে যা মনে করা হচ্ছে ২০১৬ তে শেষ হয়ে যাবে। এবং ইয়াহু ও বিং চাচ্ছে এখানে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হওয়ার জন্য।যেহেতু অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুগলের পরিবর্তে ডিফল্ট হয়ে যাচ্ছে তাই সেইসব সার্চ ইঞ্জিনের জন্যও অপটিমাইজ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।



কমেন্ট করে আপনার মূল্যবান মতামত দিয়ে সাহায্য করবেন

Artikel Terkait

Hello Guys, I'm IMRAN, passionate blogger. I’m always eager to learn new things. I am web Developer and Loves to play with Codes And Creating new things as a web Designer and specially as a blogger.